অথর্ববেদ ১৮/৩/১৬ - ধর্ম্মতত্ত্ব

ধর্ম্মতত্ত্ব

ধর্ম বিষয়ে জ্ঞান, ধর্ম গ্রন্থ কি , হিন্দু মুসলমান সম্প্রদায়, ইসলাম খ্রীষ্ট মত বিষয়ে তত্ত্ব ও সনাতন ধর্ম নিয়ে আলোচনা

धर्म मानव मात्र का एक है, मानवों के धर्म अलग अलग नहीं होते-Theology

সাম্প্রতিক প্রবন্ধ

Post Top Ad

স্বাগতম

15 December, 2025

অথর্ববেদ ১৮/৩/১৬

অথর্ববেদ ১৮/৩/১৬

বিশ্বামিত্রজমদগ্নে বশিষ্ঠ ভরদ্বাজ গৌতম ও বামদেব। 

শরদির নো অত্রি রগ্রভী নমোভিঃ সুসংশাসঃ পিতর মৃডতা নঃ।

स्वर सहित पद पाठ

विश्वा॑मित्र । जम॑त्ऽअग्ने । वसि॑ष्ठ । भर॑त्ऽवाज । गोत॑म । वाम॑ऽदेव । श॒र्दि॑: । न॒: । अत्रि॑: । अ॒ग्र॒भी॒त् । नम॑:ऽभि: । सुऽसं॑शास: । पित॑र: । मृ॒डत॑ । न॒: ॥

অথর্ববেদ ভাষ্য (বিশ্বনাথ বিদ্যালঙ্কার)

ভাবার্থঃ কণ্ব, কক্ষীবান, পুরুমীঢ, অগস্ত্য, শ্যাবাশ্ব, সোভরি, অর্চনানাঃ, বিশ্বামিত্র, জমদগ্নি, অত্রি, কশ্যপ, বামদেব (নঃ) আমাদের (অবন্তু) রক্ষা করুক/করুন। হে বিশ্বামিত্র, হে জমদগ্নি, হে বসিষ্ঠ, হে ভরদ্বাজ, হে গোতম, হে বামদেব, (সুসংশাসঃ পিতরঃ) হে সুপ্রশস্ত পিতরগণ! আপনারা সবাই (নঃ) আমাদের (মৃডত) সুখী করুন। (অত্রিঃ) অত্রি (নমোভিঃ) আমাদের নম্রতার কারণে, (নঃ) আমাদের (শর্দিঃ) বিশীর্ণতাকে, আমাদের বিনাশকে (অগ্রভীৎ) প্রতিরোধ করে দিয়েছে। [শর্দিঃ=শর্দিম্ (বিভক্তি-বিপরিণাম)।] অথর্ব০ ১৮।৩।১৬ 

অথর্ববেদ ভাষ্য (ক্ষেমকরণ ত্রিবেদী)

ভাবার্থঃ (বিশ্বামিত্র) হে সকলের মিত্র ! (জমদগ্নে) হে অগ্নির প্রকাশক ! [শিল্প এবং যজ্ঞে] (বসিষ্ঠ) হে অত্যন্ত শ্রেষ্ঠ ! (ভরদ্বাজ) হে বিজ্ঞান বল ধারণকারী ! (গোতম) হে অতিশয় স্তোতা বা বিদ্যার কামনাকারী ! (বামদেব) হে শ্রেষ্ঠ ব্যবহারশীল ! [এই তোমরা সবাই] (সুসংশাসঃ) উত্তম রীতিতে সর্বদা শাসনকারী/শাসক (পিতরঃ) পিতরগণ ! [রক্ষক মহাত্মাগণ] (নঃ) আমাদের (মৃডত) সুখী করো,  (শর্দিঃ)  বিজয়ী  (অত্রিঃ) প্রাপ্তিযোগ্য জ্ঞানী পুরুষ (নমোভিঃ) অন্নের সাথে (নঃ) আমাদের (অগ্রভীৎ) গ্রহণ করেছে ॥১৬॥ 


টিপ্পণীঃ

[কণ্ব আদি নাম সস্বর পঠিত। স্বরের আবশ্যকতা যৌগিকার্থক শব্দে হয়। এইজন্য কণ্ব আদি নাম যৌগিকার্থক হওয়া উচিৎ। সংজ্ঞাবাচক শব্দে স্বরের আবশ্যকতা অনাবশ্যক। কণ্বঃ = মেধাবী (নিঘং০ ৩।১৫)। কণতি নিমীলতি অসৌ কণ্বঃ (উণা০ ১।১৫১) = নিমীলিতাক্ষ ধ্যানাবস্থিত যোগী। কক্ষীবান্= পরোপকারে সদা কটিবদ্ধ, সমুদ্যত। পুরুমীঢঃ= সর্বত্র পরিপূর্ণ পরমেশ্বরের স্তোতা (ইড স্তুতৌ), বা সর্বত্র পরিপূর্ণ পরমেশ্বরের ওপর ভক্তিরসের বর্ষণকারী (মিহ্ সেচনে)। অগস্ত্যঃ = অগ (পর্বত) +অস্ (ক্ষেপণে), বিবিধ বাধার পর্বতকেও উৎখাতকারী। শ্যাবাশ্বঃ = শ্যৈঙ্ গতৌ + অশ্ব (মন তথা ইন্দ্রিয়-সমূহ) অর্থাৎ মন এবং ইন্দ্রিয়-সমূহ দ্বারা প্রগতিশীল। সোভরি= ক্লেশ-সমূহকে দূরীভূত করে উহার অপহরণকারী, (শো তনূকরণে) + ভরি (হরি; হরণকারী, বা "ষো অন্তকর্মণি"। অর্চনানাঃ=অর্চনা+অনস্ (প্রাণ) অর্চনা, যার জন্য প্রাণবায়ু। বিশ্বামিত্রঃ = সর্বমিত্র (নিরু০ ২।৭।(২৫), অর্থাৎ সর্বভূতমৈত্রীসম্পন্ন। তথা "বিশ্বামিত্রঃ ঋষিঃ শ্রোত্রং গৃহ্ণামি" (যজু০ ১৩।৫৭), অর্থাৎ দিব্যশ্রোত্রসম্পন্ন ব্যক্তি। বিশ্বামিত্রঃ ঋষিঃ= সকলের সাথে মিত্রতার জন্য শব্দজ্ঞান করানোর কান (দয়ানন্দ, যজুঃ ১৩।৫৭)। জমদগ্নিঃ= জমদগ্নিঃ ঋষিঃ= চক্ষুঃ (যজুঃ ১৩।৫৬); প্রকাশস্বরূপ রূপ প্রাপ্তিতে সহায়ক নেত্র (দয়ানন্দ যজুঃ ১৩।৫৬) অর্থাৎ দিব্যদৃষ্টিসম্পন্ন ব্যক্তি। অত্রিঃ = অ+ ত্রি = ত্রিবিধ তাপ রহিত১। কশ্যপঃ = পশ্যকঃ, অর্থাৎ যথার্থবেত্তা, বিবেকী। বামদেবঃ = পরমেশ্বরের সৌন্দর্য স্বরূপের উপাসক "সত্যং শিবং সুন্দরম্"। বাম=সুন্দর। বসিষ্ঠঃ = বসিষ্ঠঃ ঋষিঃ=প্রাণঃ "বসিষ্ঠঃ ঋষিঃ প্রাণং গৃহ্ণামি" (যজুঃ ১৩।৫৪)। বসিষ্ঠঃ ঋষিঃ = নিবাসের হেতু, সুখ প্রাপ্তিতে সহায়তাকারী বিদ্বান্ (দয়ানন্দ যজুঃ ১৩।৫৪)। ভরদ্বাজঃ = "ভরদ্বাজঃ ঋষিঃ মনো গৃহ্ণামি" (যজুঃ ১৩।৫৫), অর্থাৎ মন, যা অত্যন্ত শক্তিশালী। "অন্ন বা বিজ্ঞানের পুষ্টি ও ধারণের জন্য, বিচারস্বরূপ বিজ্ঞানযুক্ত চিত্ত" (দয়ানন্দ, যজুঃ ১৩।৫৫)। গোতমঃ = গৌ = বাক্ (নিঘং০ ১।১১), অর্থাৎ বাক্শক্তিতে প্রবীণতম। মন্ত্র ৩(১৪) এ পিতরদের বর্ণনা হয়েছে। মন্ত্র ৩(১৫)-৩(১৬) এ পিতরদের স্বরূপের বর্ণন করা হয়েছে।] [১. অত্রি-এর ব্যুৎপাদন "অদ্" ধাতু দ্বারাও করা হয়।]


প্রাণৌ বৈ বসিষ্ঠ ঋষিঃ। শ০ ব্রা০ ৮.১.১.৬

মনো বৈ ভরদ্বাজ ঋষিঃ। শ০ ব্রা০ ৮.১.১.৯

শ্রোত্রং বৈ বিশ্বামিত্র ঋষিঃ। শ০ ব্রা০ ৮.১.২.৬

প্রজাপতির্বৈ জমদগ্নিঃ। শ০ ব্রা০ ১৩.২.২.৭

চক্ষুর্বৈ জমদগ্নিঃ। শ০ ব্রা০ ৮.১.২.৩

প্রাণো বা অঙ্গিরাঃ। শ০ ব্রা০ ৬.১.২.২৮

বাগ্ বৈ বিশ্বকর্মা ঋষিঃ। শ০ ব্রা০ ৮.১.২.৯


অর্থাৎ বসিষ্ঠের অর্থ প্রাণ, ভরদ্বাজের অর্থ মন, বিশ্বামিত্রের অর্থ শ্রোত্র বা কান, আর অঙ্গিরার অর্থ প্রাণ আর বিশ্বকর্মার অর্থ বাণী। শতপথ ব্রাহ্মণ অন্তরগত বৃহদারণ্যকোপনিষদেও গোতম, ভরদ্বাজাদি শব্দকে ইন্দ্রাদি পরক অর্থ করিয়াছেন। যথা-ইমাবেব গোতমভরদ্বাজৌ। অয়ং গোতমঃ অয়ং ভরদ্বাজঃ। ইমাবেব বিশ্বামিত্রজমদগ্নী। অয়মেব বিশ্বামিত্রঃ অয়ং জমদগ্নিঃ, ইমাবেব বসিষ্ঠকশ্যপৌ, অয়মেব বসিষ্ঠঃ অয়ং কশ্যপঃ। বাগেবাত্রির্বাচা অন্নমদ্যতে। অত্তিই বৈ নামৈতদ্‌ য়দত্রিরিতি। বৃহদা০ উ০ ২.২ এখানে দুই নাম কান, দুই চোখ, দুই নাসিকা-ছিদ্র ও বাণী, ইহাকে ক্রমশঃ গোতম, ভরদ্বাজ, জমদগ্নি, বসিষ্ঠ ইত্যাদি নাম দ্বারা নির্দেশ করিয়াছেন। বেদাংশ্চৈকে সন্নিকর্ষ পুরুষাখ্যাঃ।। (পৃঃ) মীমা০ দ০ ১.১.২৭ অর্থাৎ চ এবং একে কিছু মনুষ্য বেদান্ বেদের সন্নিকর্ষম্ নিকট কালকে কথিত করে, কেননা তাঁহারা পুরুষাখ্যাঃ পুরুষ বিশেষের নাম দ্বারা কথন করিয়া যায়। [যথা-কাঠকম্, কালাপকম্ কঠ এবং কপালী দ্বারা রচিত)।

অনিত্যদর্শনাচ্চ।। (উ০) মীমা০ দ০ ১.১.২৮ অর্থাৎ [বেদে) অনিত্যদর্শনাচ্চ অনিত্য= (জন্ম মরণ ধর্মা) পুরুষের দর্শন হওয়াতে চ ও [বেদ পুরুষ কৃত হয়।। উক্তং তু শব্দপূর্বত্বম্।। (উ০) মীমা০ দ০ ১.১.২৯ অর্থাৎ তু পূর্বপক্ষকে নির্মূলের জন্য, শব্দপূর্বত্বম্ (অধ্যেতার শব্দপূর্বত্ব (যেরূপ অধ্যেতা গুরু দ্বারা আজকাল বেদের অধ্যয়ন করেন, ঐরূপই বর্তমান গুরুগণ নিজ হইতে পূর্বত্ব) উক্তম্ কহিয়াছেন। আখ্যা প্রবচনাৎ।। (উ০) মীমা০ দ০ ১.১.৩০ অর্থাৎ [বেদে) আখ্যা কাঠক আদি সঙ্গা প্রবচনাৎ বিশেষ বচন কথন অধ্যাপন দ্বারা [ব্যবহৃত হইয়া থাকে।। পরং তু শ্রুতিসামান্যমাত্রম্।। (উ০) অর্থাৎ আর যিনি বেদের পৌরূষেয়ত্বে) পরম অন্য অনিত্য দর্শন হেতু দিয়াছেন, তাঁহা তু ঠীক নয়। কেননা ঐরূপ শব্দ) শ্রুতিসামান্য মাত্রম্। মনুষ্যের ভ্রম হইয়া যায় যে, ইহা ঋষিদিগের নাম, যাঁহারা সেই-সেই ঋষিদিগের অথবা সেই শিষ্যাদিরা মন্ত্রেও প্রয়োগ করিয়াছেন, যেরূপ আজকালও কোনও কবি নিজের নামকে নিজের ওর রচনাতে প্রয়োগ করে অথবা যেরূপ কবীর, সূর, তুলসী, নানক আদির প্রয়োগ তাঁহাদের অনেক রচনাতে রহিয়াছে। বস্তুতঃ এই কথা ঠীক নয়। বেদে এই শব্দের প্রয়োগ ব্যক্তি বিশেষ তবাচক নয়, কিন্তু সামান্য গুণ-সূচক। উদাহরণার্থ বিশ্বামিত্র শব্দ যদি বেদে আসে, তখন তাঁহার অর্থ গাধির পুত্র বিশ্বামিত্র নয়, কিন্তু সকলের মিত্ররূপ ঋষি, সে যে কেউ হইতে পারে।


এই শব্দ প্রাণাদি বাচকও হয়, যেরূপ আমরা প্রথমে নির্দেশ করিয়াছি, কিন্তু প্রসঙ্গবশ তাঁহার স্পষ্টীকরণ করা আবশ্যক প্রতীত হইবে। ব্রাহ্মণ গ্রন্থ বেদের ব্যাখ্যানরূপ যেরূপ-"ব্রহ্মভিঃ-চতুর্বেদবিদ্ধিব্রাহ্মণৈর্মহর্ষিভিঃ প্রোক্তানি য়ানি বেদব্যাখ্যানানি তানি ব্রাহ্মণানি।” ম০ ভা০ ৫.১.১ এই মহাভাষ্যকার সম্মত নিরুক্তি দ্বারা স্পষ্ট জ্ঞাত হইয়া থাকে। ঐতরেয় ব্রাহ্মণ, ঐতরেয়ারণ্যক, শতপথ ব্রাহ্মণ, ছান্দোগ্যোপনিষদাদি প্রাচীন গ্রন্থে এই শব্দের প্রাণাদি সমপরক ব্যাখ্যা স্পষ্ট উপলব্দ হইয়া থাকে; যথা ঐতরেয়ারণ্যকে লিখিয়াছেন- "প্রাণো বৈ গৃৎসঃ, অপানো মদঃ স য়প্রাণো গৃৎসোহপানো মদঃ তস্মাদ গৃৎসমদ ইত্যাচক্ষেতে। এতমেব সন্তং তস্যেদং বিশ্বং মিত্রম্ আসীদ্‌ য়দিদং কিঞ্চ। তদ্‌ য়স্যেদং বিশ্বং মিত্রমাসীদ্‌ য়দিদং কিঞ্চ তস্মাদ বিশ্বামিত্রঃ ইত্যাচক্ষতে। এতমেব সন্তং তং দেবা অক্রবন্ অয়ং বৈ নঃ সর্বেষা বাম ইতি। তং য়দ্‌ দেবা অক্রবন্ অয়ং বৈ নঃ সর্বেষাং বাম ইতি তস্মাদ্‌ বামদেবঃ। তস্মাদ বামদেব ইত্যাচক্ষতে। এতমেব সন্তং স ইদং সর্বং পাদ্মনোহত্রায়ত যদিদং কিঞ্চ। স য়দিদং সর্বং পাপুনো ত্রায়ত তদিদং কিঞ্চ তস্মাদত্রয় ইত্যাচক্ষতে। এতমেব সন্তং স উ এব ব্রিভ্রদ্বাজঃ প্রজা বাজঃ তম্ এষ বিভর্তি য়দ বিভর্তি তস্মাদ ভরদ্বাজ ইত্যাচক্ষতে।" এতং সম্ভং দেবা অক্রবন্ অয়ং বৈ নঃ সর্বেষাং বসিষ্ঠঃ তস্মাদ বসিষ্ঠঃ স ইদং সর্বমভি প্রাগাৎ-তস্মাৎ প্রগাথঃ। ঐতরেয়০ আ০ ২.২.১ এখানে কহিয়াছেন যে, গৃৎসমদ, বিশ্বামিত্র, বামদেব, অত্রি, ভরদ্বাজ, বসিষ্ঠ, প্রগাথ ইত্যাদি পদ মুখ্যত প্রাণবাচক। এই শব্দের যৌগিক অর্থ উপরে উদ্ধৃত করিয়াছি। এই যৌগিক ব্যুৎপতির আধারে শব্দ সামান্য গুণসূচক হইবার কারণ এই-জার এই গুণ দ্বারা যুক্ত ব্যক্তিকে আর বস্তুর জন্য প্রযুক্ত হয়। উদাহরণার্থ যিনি সকলের মিত্র মান্য।। করেন ও যিনি সকলে মিত্র, তাঁহাকে বিশ্বামিত্র বলিয়া থাকে। যিনি পাপ হইতে রক্ষাকারী হন, তিনি অতি। যিনি বাজ-প্রজা, জ্ঞান আর বলের ধারণকারী, তিনি ভরদ্বাজ। যিনি। সকলের শ্রেষ্ঠ, প্রাণবিদ্যাকে যথার্থ জ্ঞানী প্রাণো বৈ বসিষ্ঠ ঋষিঃ অথবা ঈশ্বরকে অন্তরে অধিক স্থাপনকারী-সদা তাঁহার স্মরণকারী জ্ঞানী তিনি বসিষ্ঠ। ইন্দ্রিয়, মন আদিকে সকলের অধিক নিজের বশকারীও বসিষ্ঠ। উত্তম গুণের ধারণকারী অথবা বাম-শ্রেষ্ঠ গুণযুক্ত ভগবানে রমণকারী-তাঁহা হইতে প্রকাশিতকারী (বামেন দীব্যতীতি) বামদেব। ঐরূপই অন্য শব্দের বিষয়ে জানা উচিত। ঐতরেয় ব্রাহ্মণ ১.২৮ অগ্নির্বৈ দেবানাং বসিষ্ঠঃ অর্থাৎ অগ্নি বসিষ্ঠ।


সামবেদ ভাষ্যম 


No comments:

Post a Comment

ধন্যবাদ

বৈশিষ্ট্যযুক্ত পোস্ট

অথর্ববেদ ৪/৩১/৭

সম্সৃষ্টম্ ধন॑মু॒ভয়ং॑ স॒মাকৃ॑তম॒স্মভ্যং॑ ধত্তাং॒ বরু॑ণশ্চ ম॒ন্যুঃ।  ভিয়ো॒ দধা॑না॒ হৃদ॑য়েষু॒ শত্র॑বঃ॒ পরা॑জিতাসো॒ অপ॒ নি ল॑য়ন্তাম্ ॥  (অথ...

Post Top Ad

ধন্যবাদ