১'লা জানুয়ারী কাল্পনিক যিশু খ্রিস্টের খৎনা দিবস !!
![]() |
| ছবিঃ কাল্পনিক যিশু খ্রিস্টের খৎনা যিশুর খতনার এমন অনেক কাল্পনিক আঁকা হয়েছে। এই ছবিটি এঁকেছেন রেনেসাঁ যুগের শিল্পী আলব্রেখ্ট ডুরার। |
The Circumcision of our Lord and Savior Jesus Christ - Orthodox Church in America দেখুন
নববর্ষ অর্থাৎ গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী দিন হল যিশু খ্রিস্টের খৎনা দিবস (বাইবেল নববিধান লুক ২।২১) যাকে ব্রিট মিলাহ বলা হয়ে থাকে। পুরুষোত্তম নাগেশ ওক জী তাঁর পুস্তকে লিখেছেন, যীশু রোমান সম্রাট কন্সটেনটাইনের সৃষ্টি করা এক কাল্পনিক চরিত্র! কৃস্তমাস বা ক্রিসমাস যা বাস্তবে কৃষ্ণনাস উৎসব, যা একসময় আর্য্যাবর্ত্তে পালন করা হতো। এই তেহার /উৎসব মধ্যরাত্রি ঠিক বারোটায় ঘন্টা বাজিয়ে পালন করা হতো এটাই সমগ্র আর্য্যবর্ত্তের প্রথা যা মহাভারতের যুদ্ধের পর থেকে শুরু হয়েছে। এটি রাত ১২ টায় পালিত হওয়া শুরু হয়ে ছিলো করাণ দীর্ঘ অন্ধকার রাত শেষ হওয়ার পরে, উত্তরায়ণে দিন ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে। এইজন্য এই উৎসব কে "বড় দিন" বলা হয়। সেই দিন মধ্যরাত্রি কে দীর্ঘ অন্ধকার রাত্রের ক্লাইম্যক্স (চরমসীমা) মনে করা হতো। এটি কৃষ্ণমাস অর্থাৎ কালা মহীনা (মাস) বা দীর্ঘ অন্ধকার রাতের মাস থেকে এর নাম করণ হয়। সেই সময় থেকে AM = Arohanam Marthandasya - the rise of the Sun. PM = Pathanam Marthandasya - the fall of the Sun গণনা শুরু হয়েছিলো। ডিসেম্বরে দক্ষিণায়নের সমাপ্তি ও উত্তরায়ণের সূচনা সেখান থেকে কৃষ্ণমাসের উৎসব সূচনা সমগ্র বিশ্বে শুরু হয়ে ছিলো এটি খ্রীষ্টের গণনার পূর্বের সময় থেকে উদযাপিত হয়েছিলো। এই মাসে কৃষ্ণ পূজন রূঢ় হওয়ার আর এক কারণ এই সময় মহাভারীয় যুদ্ধেও মার্গশীর্ষে সমাপ্ত হয়েছিল। ভীষ্ম পিতামহ উত্তরায়ন পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন, কৌরব পক্ষের প্রায় সকলে নিহত ও পান্ডবেরা যারা ছিলেন সকলে উদাসীন ছিলেন, এই অবস্থায় শ্রীকৃষ্ণই একমাত্র দেবতুল্য ব্যক্তি বিবেচিত হত। যুদ্ধ সমাপ্তিতে বিজয় উৎসব বা আনন্দ উৎসব ও পালন করা শুরু হয় কৃষ্ণমাসের নামে মধ্যরাত্রি থেকে বড় হর্ষউল্লাস সহকারে। সংযোগ বসত কৃষ্ণজন্ম সময় এবং দীর্ঘ রাত্রির চরমসীমা একই ছিল, অতঃ মধ্যরাত্রি ১২টায় ঘন্টাধ্বনির মাধ্যমে আনন্দউৎসব প্রচলিত হয় যা আজও কিছু স্থানে পালিত হয়। পরে পরে এই উৎসব ভারতীদের কাছ হতে কন্সটেনটাইনের হাত ধরে আজ খ্রীষ্টমাসে পরিণত হয়েছে॥ এই দিনটি যেদিন যীশু খৎনা করানো হয়েছিল এবং ইহুদী হয়েছিলেন এবং নামকরণ করা হয়েছিল। এটি এখনও অর্থোডক্স চার্চে এইভাবে বলা হয়।
‘যে ব্যক্তি যে জাতির অনুকরণ করবে, সে ব্যক্তি সেই জাতিরই একজন বলে গণ্য হবে’ ( আবূ দাঊদ হা/৪০৩১) । রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, “যে ব্যক্তি যে জাতির সাদৃশ্য গ্রহণ করে, সে তাদেরই অন্তর্ভূক্ত।” [সুনানে আবু দাউদঃ হাদীস ৪০৩১]

