ঋগ্বেদের মন্ত্র সংখ্যা - ধর্ম্মতত্ত্ব

ধর্ম্মতত্ত্ব

ধর্ম বিষয়ে জ্ঞান, ধর্ম গ্রন্থ কি , হিন্দু মুসলমান সম্প্রদায়, ইসলাম খ্রীষ্ট মত বিষয়ে তত্ত্ব ও সনাতন ধর্ম নিয়ে আলোচনা

धर्म मानव मात्र का एक है, मानवों के धर्म अलग अलग नहीं होते-Theology

সাম্প্রতিক প্রবন্ধ

Post Top Ad

স্বাগতম

07 September, 2025

ঋগ্বেদের মন্ত্র সংখ্যা

ঋগ্বেদের মন্ত্র সংখ্যা

ঋগ্বেদের ঋচাগুলির বিবরণ

মণ্ডল সূক্ত সংখ্যা মন্ত্র সংখ্যা
মণ্ডল ১ ১৯১ ২০০৬
মণ্ডল ২ ৪৩ ৪২৯
মণ্ডল ৩ ৬২ ৬১৭
মণ্ডল ৪ ৫৮ ৫৮৯
মণ্ডল ৫ ৮৭ ৭২৭
মণ্ডল ৬ ৭৫ ৭৬৫
মণ্ডল ৭ ১০৪ ৮৪১
মণ্ডল ৮ ১০৩ ১৭১৬
মণ্ডল ৯ ১১৪ ১১০৮
মণ্ডল ১০ ১৯১ ১৭৫৪

📌 মোট যোগফল :

  • সূক্ত সংখ্যা = ১০২৮

  • মন্ত্র সংখ্যা = ১০,৫৫২ (বালখিল্য সূক্ত সহঃ)

বালখিল্য সূক্ত হলো ঋগ্বেদের দশম মণ্ডলে সংযোজিত ১১টি ছোট সূক্ত (মোট ৮০ মন্ত্র)। 👉 “বালখিল্য” শব্দের অর্থ

সংস্কৃত বাল (ক্ষুদ্র) + খিল্য (অপ্রধান বা গৌণ)। অর্থাৎ, ছোট ছোট ও গৌণ সূক্ত।

  • এগুলো দশম মণ্ডলের ৪৯ থেকে ৫৯ সূক্তের মাঝে সংযোজিত।

বৈদিক ভার্তীয় বৈদিক গ্রন্থ সম্পর্কে যারা সুপরিচিত, তারা জানেন যে প্রাচীন কালে ঋগ্বেদের বিভিন্ন শাখা মিলিয়ে মোট ২১টি সংহিতা তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে এর মধ্যে কেবল একটি সংহিতা পাওয়া যায়।

প্রাচীন পরম্পরা রক্ষাকারী জ্ঞানী ও পণ্ডিতদের সতর্ক প্রচেষ্টায়, এই অত্যন্ত প্রাচীন সংহিতায় যা প্রায় সাড়ে দশ হাজার মন্ত্র নিয়ে গঠিত, একটিও অক্ষর বা শব্দ বিকৃত হয়নি। মন্ত্রের সংখ্যা কম হওয়ার মতো কোনও বিষয়ও ঘটেনি।

এইভাবে সর্বোচ্চ যত্নে সংরক্ষিত ঋকসংহিতায় মোট কতটি ঋচা আছে, এই বিষয়ে প্রাচীন এবং আধুনিক অনেক পণ্ডিত লিখেছেন, তবে এই প্রশ্ন এখনও রহস্যময় রয়ে গেছে। কোনও দুই পণ্ডিতের ঋগগণনা একে অপরের সাথে মেলে না। যেমন—

শৌনকীয় অনুবাকানুক্রমণী – ১০৫৮০ এবং একটি পাদ। ছন্দসংখ্যা-পরিশিষ্ট – ১০৪০২।ঋবসর্বানুক্রমণী-টীকাকার জগন্নাথ – ১০৫৫২। চরণবিউহ-টোকাকার মহিদাস – শিশু সহ ১০৫৫২, শিশু ছাড়া ১০৪৭২, তার দ্বারা উদ্ধৃত শ্লোক অনুসারে ১০৪১৬। বেঙ্কটমাঘব –১০৪০২, এবং দ্বিপদাপক্ষে ১০৪৮০।

স্বামী দয়ানন্দ সারস্বতী – ১০৫৮৬, তবে তাদের প্রতিমন্ডলে গণনা করা ঋচাগুলোর যোগফল ১০৫২১।
প্রফেসর ম্যানকাডানল – ১০৪৪২, দ্বিপদাপক্ষে ১০৫৬৬, এবং ৮-৮-১৬৯১৬ এর পত্র অনুযায়ী ১০৫৬৫। পণ্ডিত সত্যব্রত সামশ্রমী – ১০৫২২। পণ্ডিত হরিপ্রসাদ বৈদিক মুনি – ১০৪৪০।

আমাদের মত হলো যে প্রাচীন আচার্যদের ঋগগণনা সাধারণত সঠিক। তবে তাদের গণনার পদ্ধতির মধ্যে পার্থক্যের কারণে পারস্পরিক ভিন্নতা দেখা যায়। আধুনিক পণ্ডিতরা প্রাচীন আচার্যদের গণনার পদ্ধতি সঠিকভাবে না বোঝার কারণে অনেক বড় ভুল করেছে। এই প্রবন্ধে তাদের ভুল এবং ঋগ্বেদের শুদ্ধ ঋকসংখ্যা প্রদর্শনের চেষ্টা করা হবে।

শতপথ ব্রাহ্মণ ১০।৪।২।২৩-এ লেখা আছে—

“স ঋচো ভ্যউহত হাদাশ বৃহতীসহস্নাণি, এতাভাত্যো হা চো বা: প্রজাপতিসৃষ্টি:”

অর্থ: প্রজাপতি ১২,০০০ বার (বারো সহস্র) বৃহৎ ছন্দের সমপরিমাণ ঋচা সৃষ্টি করেছেন। এটাই প্রজাপতির দ্বারা সৃষ্ট ঋচার সংখ্যা। বারো সহস্র বৃহৎ ছন্দের ১২০০০ × ২৮ × ৩৬৮–৪৩২০০০ অক্ষরের পরিমাণ হয়।

শতপথের এই প্রकरण মনোযোগ দিয়ে দেখলে জানা যায় যে, এই অক্ষরের পরিমাণ শুধুমাত্র ঋগ্বেদের ঋচাগুলোর নয়, বরং সমস্ত ঋচাগুলোর। কারণ শতপথের এই প্রकरणে ত্রয়ী বিদ্যার (ত্রয়ীভাষার) ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ঋক, যজু এবং সাম-এর পরিমাণ দেখানো হয়েছে, অথর্ব (অর্থাৎ আথর্ববেদ) নয়। সুতরাং এই ধরনের ঋক, যজু এবং সাম শব্দ গ্রন্থ-নির্দিষ্ট পাঠক নয়, বরং মন্ত্র-ধরনের নির্দেশক

আচার্য জেমিনি ত্রয়ীবিদ্যার জন্য ব্যবহৃত ঋক, যজু ও সাম শব্দের ব্যাখ্যা দেন এভাবে—

ইত্রার্থন্থশেত পাদব্যবস্থা সা ঋক। গীতিষু সামাখ্যা। শেষে যজুঃ শব্দঃ॥

(মীমাংসা ২।১।৩৫-৩৭)

অর্থাৎ চারটি বৈদিক গ্রন্থে যতগুলি পদবদ্ধ (পদ্যময়) মন্ত্র রয়েছে, সেগুলিকে ঋক, গানাত্মক সাম, এবং গদ্য মন্ত্র যজুঃ বলা হয়।

কিছু পণ্ডিতের মতে, অনুবাকানুক্রমণীতে উল্লেখিত ৪৩২,০০০ অক্ষরের পরিমাণ হলো ঋগ্বেদের সমস্ত শাখায় পাঠিত ১০৫৮০ ঋচা এবং ১ পাদের জন্য। আমাদের কাছে এটি অযৌক্তিক মনে হয় না। কারণ, বালখিল্যরহিত ১০৪৭২ ঋচার অক্ষরের সংখ্যা ৩৬৪,২২১। এই সংখ্যা পাওয়া যায় পাদ-ভিত্তিক অক্ষর বিন্যাসকে মান্য করে। অতএব, বাকি ১৮০ ঋচা এবং ১ পাদের প্রায় ৩৮ সহস্র অক্ষরের পরিমাণ কোনভাবে সম্ভব নয়।

এই কারণে, শতপথে উল্লেখিত ৪৩২,০০০ অক্ষরের সংখ্যা উচিত ছিল চতুষ্পদী মন্ত্রসহ বৈদিক চতুষ্টয়ের সমস্ত পদবদ্ধ মন্ত্রের। শৌনক কেবল ঋগ্বেদের ৪৩২,০০০ অক্ষরের হিসাব কেমনভাবে লিখেছেন, তা আমাদের জানা নেই।

বিশিষ্ঠ ঋগ্মণনা পদ্ধতি

ঋগ্বেদের বিভিন্ন পণ্ডিতদের প্রদত্ত ঋচাসংখ্যার পর্যালোচনা করার আগে, এটি গুরুত্বপূর্ণ যে ঋগ্বেদের বিশেষ গণনা পদ্ধতি বোঝা যায়। কারণ যদি এটি ঠিকভাবে না বোঝা যায়, অনেক আধুনিক পণ্ডিতও ঋগগণনায় বড় ভুল করেছেন।

ঋগগণনা এবং দ্বিপদা ঋচা

ঋগ্বেদে কিছু মন্ত্র এমন আছে, যা কখনও দুই-পাদের মন্ত্র হিসেবে গণনা করা হয়, আবার কখনও চার-পাদের একটি মন্ত্র হিসেবে ধরা হয়। অর্থাৎ, সেই সময় দুইটি দ্বিপদা মন্ত্রকে এক চতুষ্পদ মন্ত্র ধরা হয়।

দ্বিপদা পদ্ধতিতে ঋগ্বেদে মোট ১৫৭টি দ্বিপদা ঋচা রয়েছে। এর মধ্যে ১৭টি নিত্য দ্বিপদা ঋচা, বাকি ১৪০টি হলো নৈমিত্তিক দ্বিপদা। অর্থাৎ এই ১৪০ ঋচা প্রকৃতপক্ষে দ্বিপদা নয়, বরং ১৪০ ÷ ২ = ৭০ চতুষ্পদা ঋচা।

ব্রাহ্মণ গ্রন্থে ‘দ্বিপদা: শংসতি’ ইত্যাদি বাক্যের মাধ্যমে এই ঋচাগুলোকে দ্বিপদা হিসেবে গণনা করে যজ্ঞে ব্যবহার করা হয়। তাই এই ৭০ বা ১৪০ ঋচাকে “নৈমিত্তিক দ্বিপদা” বলা হয়।

ঋকসর্বানুক্রমণীর সংজ্ঞা

ঋকসর্বানুক্রমণীর সংজ্ঞা অনুযায়ী লেখা আছে—
হিদ্বিপদাস্ত্বূচঃ সমাসনন্তি

অর্থ: অধ্যয়নের সময় শিক্ষার্থী দুই-পদকে এক ঋচা হিসেবে অনুশীলন করবে। ‘সমাসনন্তি’ অর্থ যজ্ঞে স্তব বা প্রশংসার সময় দুই-পদ এক ঋচা হয় না। উদাহরণস্বরূপ, ‘পশ্বা ন তায়ুমূ’ (ঋ ১৬৫) মন্ত্রে দশটি ঋচা হিসেবে গণ্য হয়, অধ্যয়নের সময় এই দশটি পড়া হয় পাঁচটি ঋচা হিসেবে।

সায়ণাচার্যের ব্যাখ্যা

সায়ণাচার্য ঋ ১।৬৪-এর ভাষ্যে লিখেছেন—
“তত্র पर्वেত্থাদি”

অর্থ: এখানে মোট ছয়টি দ্বিপদা সূক্ত। অধ্যয়নের সময় দুই-পদকে এক চতুষ্পদা ঋচা হিসেবে পড়া হয়। যেখানে অজোড় সংখ্যক দ্বিপদা থাকে, সেখানে শেষ অবশিষ্ট দ্বিপদা দ্বিপদা হিসাবেই পড়া হয়। অর্থও সাধারণত দুই-পদে সমান। যজ্ঞে ব্যবহারকালে এগুলো পৃথক দ্বিপদা হিসেবে স্তব করা হয়।

আশ্বলায়ন শ্রৌত ৫।১২-এও ‘পশ্বা ন’ (ঋ ১৬৫) মন্ত্র দ্বিপদা আকারে ব্যবহৃত হয়েছে।

চরণবিউহের টীকাকার মহিদাস

মহিদাস লিখেছেন—
“হুবন একঙ্কা অপ্রধ্যয়নে দে হে শ্রামতন্তি” (পৃষ্ঠা ১৬৯)

অর্থ: যজ্ঞের সময় একেকটি দ্বিপদা পড়া হয়, অধ্যয়নের সময় দুই-পদকে এক ঋচা হিসেবে গণ্য করা হয়।

নৈমিত্তিক দ্বিপদার তালিকা

ঋগ্বেদে ১৪০ নৈমিত্তিক দ্বিপদা কোনগুলো, তা মহিদাস টীকা অনুযায়ী দেওয়া হয়েছে—
“পশ্বা ন তায়ুমূ” ইত্যাদি (দেখুন সংস্কৃত অংশ)। 

এছাড়াও ১৭টি নিত্য দ্বিপদা এর উল্লেখ উপলেখ সূত্র (বর্গ ৬১-২) এ পাওয়া যায়। এইভাবে ঋগ্বেদে মোট ১৭ + ১৪০ = ১৫৭ নিত্য ও নৈমিত্তিক দ্বিপদা ঋচা রয়েছে।

আচার্য কাত্যায়ন ঋকসর্বানুক্রমণী-তে যে ঋচাসংখ্যা লিখেছেন, তাতে এই ১৪০ নৈমিত্তিক দ্বিপদাকে দ্বিপদা হিসেবে গণনা করা হয়েছে। এটি আমরা পূর্বেই উল্লেখ করেছি।

মেক্সমুলার ১৮৭৩ সালে (সং. ৯৬৩০) ঋগ্বেদমুলের প্রথম সংস্করণ প্রকাশ করেছিলেন। এই সংস্করণ প্রকৃতপক্ষে তার বিশাল পরিশ্রমের ফল, যা কোনো সম্পাদনা-কলাশভিজ্ঞ পাঠকের দৃষ্টি থেকে লুকানো নয়।

তবুও বলতেই হবে যে মেক্সমুলারের ঋকসংস্করণে কিছু উল্লেখযোগ্য ত্রুটি রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় ত্রুটি হলো নৈমিত্তিক দ্বিপদা ঋচাগুলোর মুদ্রণে। এই ত্রুটির কারণে পরবর্তীতে অনেক পণ্ডিতও বড় ভুল করেছেন।

মেক্সমুলার তার মূল ঋগ্বেদের সংস্করণে মণ্ডল ১, সূক্ত ৬৫–৭০ পর্যন্ত ৬০টি নৈমিত্তিক দ্বিপদা ঋচা ৩০টি চতুষ্পদা ঋচা হিসেবে মুদ্রণ করেছেন এবং প্রতিটি চতুষ্পদা ঋচায় মন্ত্রসংখ্যা উল্লেখ করেছেন।

পঞ্চম মণ্ডলের ২৪তম সূক্তে চারটি নৈমিত্তিক দ্বিপদাকে দুইটি চতুষ্পদা ঋচা হিসেবে মুদ্রণ করা হয়েছে। তবে প্রথম গ্রন্থে ১, ২ এবং দ্বিতীয় গ্রন্থের শেষে ৩, ৪ সংখ্যা মুদ্রিত আছে।

অবশিষ্ট মণ্ডলগুলোর ৭৬টি নৈমিত্তিক দ্বিপদাকে দ্বিপদা আকারে মুদ্রণ করা হয়েছে।

এভাবে, মেক্সমুলার নৈমিত্তিক দ্বিপদা ঋচাগুলোর মুদ্রণে তিন ধরনের ত্রুটি করেছেন:
১. প্রথম মণ্ডল ৬৫–৭০ সূক্তের ৬০টি নৈমিত্তিক দ্বিপদাকে ৩০টি চতুষ্পদা হিসেবে মুদ্রণ করা এবং চতুষ্পদা অনুযায়ী মন্ত্রসংখ্যা দেওয়া।
২. পঞ্চম মণ্ডলের ২৪তম সূক্তের ৪টি নৈমিত্তিক দ্বিপদাকে দুইটি চতুষ্পদা হিসেবে মুদ্রণ এবং দ্বিগুণ (দ্বিপদা অনুযায়ী) মন্ত্রসংখ্যা দেওয়া।
৩. অবশিষ্ট মণ্ডলগুলোর ৭৬ নৈমিত্তিক দ্বিপদা কে দ্বিপদা আকারে মুদ্রণ করা।

সম্পাদনার দৃষ্টিকোণ থেকে এটি একটি মারাত্মক ত্রুটি। এর মাধ্যমে বোঝা যায় যে মেক্সমুলার এই ১৪০ নৈমিত্তিক দ্বিপদা ঋচার আসল রূপ ঠিকভাবে বুঝতে পারেননি।

যদি এই ভুল শুধুমাত্র তার সংস্করণেই সীমাবদ্ধ থাকতো, তা বিশেষ ক্ষতির কারণ হতো না। কিন্তু তার সংস্করণকে প্রামাণিক ধরে নেয়ার কারণে পরবর্তীকালে অনেক পণ্ডিতও বড় ভুল করেছেন। (যেগুলো আমরা এই প্রবন্ধে যথাস্থানে নির্দেশ করব)। সুতরাং, তাকে কোনওভাবে ক্ষমা করা যায় না।

অনুবাকালুक्रमণী এবং ঋকসংখ্যা

শৌনক তার অনুবাকালুক্রমণী-তে দুটি স্থানে ঋকসংখ্যার নির্দেশ দিয়েছেন। উদাহরণস্বরূপ, ৪০, ৪১, ৪২ নম্বরের সূচকে তিনি লিখেছেন— "একর্ল একভার্গেঃ"

এই শ্লোকগুলোর ব্যাখ্যা উপরের সংস্কৃত অংশে দেখানো হয়েছে।

তদনুযায়ী, ঋগ্বেদে ২০০৬টি বর্গ এবং ১০৪১৭টি ঋচা রয়েছে। শাউনকের মতে, এই ঋকসংখ্যা শাকল চরণান্তর্গত শৈশীরীয় শাখার। তিনি লিখেছেন—
তান পারণে ঝাকলে শহিরোয়ে বদন্তি (৩৬)"

এই সংখ্যায় বালখিল্য ঋচা অন্তর্ভুক্ত নয়। নৈমিত্তিক দ্বিপদাগুলোরও হ্বিপদা আকারে গণনা করা হয়নি।

বর্তমান ঋগ্বেদে শিশুখিল্য ঋচাগুলো বাদ দিয়ে বর্গসংখ্যা ২০০৬, কিন্তু মন্ত্রসংখ্যা ১০৪০২ (এটি আমরা পরে দেখাবো)। এইভাবে ১৫টি ঋচার অতি রয়েছে, যা শাখার সমভন হিসেবে ধরা উচিত।

ঋচা দশ সহস্রাণি শ্লোক

শৌনক পরবর্তীতে পূর্বোক্ত শ্লোক “ঋচাম্ দশা সহস্রাণি” পড়েছেন। এ অনুযায়ী ঋগ্বেদে ১০৫৮০ ঋচা এবং ১টি পাদ রয়েছে। যদিও এই দুটি স্থানে উল্লেখিত ঋকসংখ্যায় বড় ভিন্নতা আছে, তবে এর সমাধান সহজ।

শ্লোকের “পারনম্ পদ” বিশেষভাবে লক্ষ্যণীয়। শৌনক ‘পারণम्’ শব্দ দ্বারা ১০৫৮০ ঋচা এবং ১ পাদ ঋগ্বেদের সমস্ত শাখায় অন্তর্ভুক্ত ঋচাগুলো নির্দেশ করেছেন। এটি লৌগাক্ষিস্পুতির নিম্নলিখিত শ্লোকের সাথে তুলনা করলে স্পষ্ট হয়। উদাহরণস্বরূপ—
“ঋচাং দহ্য”

এই শ্লোকগুলোতে ১০৫৮০ ঋচা এবং ১ পাদ স্পষ্টভাবে নির্দেশিত, এবং বলা হয়েছে যে এটি সমস্ত শাখায় অন্তর্ভুক্ত মন্ত্রের সংখ্যা। যদিও শ্লোকগুলোর পাঠে কিছু ক্ষুদ্র ত্রুটি আছে, তবে মূল বক্তব্য স্পষ্ট।

উল্লেখযোগ্য শ্লোক:
ঋচা দশ সহস্রাণি ঋচাং পঞ্চ শতানি চ॥ ঋচামশী তিঃ পাদশ্চ পারায়ণবিধৌ খলু"

উৎস:‘বেন্দিক ব্যাকরণ ও ইতিহাস’, গ্রন্থ, ভাগ ১, পৃঃ ১৩৪

উপরোক্ত সংখ্যা অনুসারে সমস্ত শাখায় অন্তর্ভুক্ত মন্ত্র ও সূত্রগুলো গণনা করা হয়েছে।

চরণব্যূহ-পরিশিষ্টে লেখা আছে— ঋচাং দশ ...

মহীদাস ১০৫৮০ ঋচা ও ১ পাদ ঋচাসংখ্যার উৎপত্তি এইভাবে ব্যাখ্যা করেছেন— এত্তু ...

অর্থাৎ, অধ্যয়নকালে ১০৪৯৬ ঋচা বলা হয়। এর মধ্যে নৈমিত্তিক দ্বিপদার (অতিরিক্ত ৭০) সংখ্যা যোগ করলে হয় ১০৫৬৬ ঋচা। আবার "সঞ্জ্ঞান সূক্ত"র ১৫ ঋচা মেলালে সংখ্যা দাঁড়ায় ১০৫৮০। এরপরও একটি সংখ্যা বাকি থাকে— সেটি হলো "যদ্‌ নো শ্ৰপি বাতয় সন" (ঋক্ ১০।২০১) নামক ১ পাদ।

এখানে মহীদাস ১০৪০২ ঋচায় ৬৪ সংখ্যা বাড়িয়ে ১০৪৬৬ গণনা করেছেন। এই ৬৪ বৃদ্ধির কারণ হলো—

ঋগ্বেদে এমন ৬৪টি ঋচা আছে, যাতে তিনটি করে অর্ধর্চ রয়েছে। অধ্যয়নকালে তাদের দুই অর্ধর্চকে একটি ঋচা এবং বাকি এক অর্ধর্চকে আরেকটি ঋচা ধরা হয়। এভাবে ৬৪টি ঋচা সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।

কিন্তু মহীদাসের এই গণনায় দুটি ভুল আছে—
১. তিনি লিখেছেন, অধ্যয়নকালে যে সংখ্যাকে ঋচাসংখ্যা বলা হয়, সেখানে নৈমিত্তিক দ্বিপদার সংখ্যাও গুনে নিয়েছেন, অথচ তিনি নিজেই বলেছেন অধ্যয়নকালে সেগুলো চতুষ্পদা হিসেবে ধরা হয়।
২. শৌনিক তার অনুবাকানুক্রমণীতে যে ১০৪১৭ ঋচাকে "পারণ" হিসেবে গণনা করেছেন, তাতে সঞ্জ্ঞান সূক্তের ১৫ ঋচার সংযোজন নেই— এটা আমরা আগেই দেখিয়েছি।


ছন্দঃসংখ্যা-পরিশিষ্ট ও ঋচাগণনা

ঋগ্বেদের এক প্রাচীন পরিশিষ্ট পাওয়া যায় যেটিকে "ছন্দঃসংখ্যা-পরিশিষ্ট" বলা হয়। এতে মাত্র ১১টি শ্লোক আছে। প্রথম দশটি শ্লোকে পৃথক পৃথক ছন্দ অনুযায়ী ঋচাসংখ্যার উল্লেখ আছে। তারপর শেষ শ্লোকে সমষ্টিগতভাবে ঋচাসংখ্যা নির্দিষ্ট করা হয়েছে।

শ্লোকগুলোতে বলা হয়েছে— একপঞ্চাশৎ ...

এসব শ্লোক অনুযায়ী ঋগ্বেদে—

  • গায়ত্রী : ২৪৫১

  • উষ্ণিক্‌ : ৩৪৯

  • অনুষ্টুপ : ৬৫৫

  • বৃত্তি (বৃহতী) : ১৮১

  • পঙ্ক্তি : ৩১২

  • ত্রিষ্টুপ্‌ : ৪২৫৩

  • জগতি : ১৩৪৮

  • অতিজগতি : ১৭

  • দ্যাক্বর : ১৬

  • অতিশক্বরী : ৬

  • ঋষ্টি : ৬

  • অষ্টিষ্ঠি : ৪

  • ধৃতি : ২

  • অতিধৃতি : ১

  • একপদা : ৬

  • দ্বিপদা : ১৭

  • বাহতপ্রগাথ : ১৬৪

  • কাকুভপ্রগাথ : ৫৫

  • মহাবাহতপ্রগাথ : ১

এইভাবে ঋষিগণ সমগ্র ঋগ্বেদের ঋচাসংখ্যা ১০৪০২ বলেছেন।


সত্যব্রত সামাশ্রমীর মত

পণ্ডিত সত্যব্রত সামাশ্রমী তার ঐতরেয়ালোচনা গ্রন্থে (পৃষ্ঠা ১৪৩) লিখেছেন—

ছন্দঃসংখ্যা-পরিশিষ্টে প্রতিটি ছন্দের ঋচাসংখ্যা আলাদাভাবে দেওয়া আছে। কিন্তু সেগুলো যোগ করলে সংখ্যা দাঁড়ায় ১০১৪২, অথচ শেষ শ্লোকে ১০৪০২ বলা হয়েছে। এভাবে মনে হয় সংখ্যাগুলোতে বিভ্রান্তি আছে।

তবে সামাশ্রমীর দুটি ভুল ছিল—
১. ষষ্ঠ শ্লোকের উত্তরাংশে দু’বার "তথা" শব্দ এসেছে। প্রথম "তথা" অতিজগতীর গণনাপদ্ধতির নির্দেশক, আর দ্বিতীয় "তথা" পূর্বে বলা ১০ সংখ্যাকে শক্বরীর সঙ্গে যোগ করার কথা বলে। ফলে শক্বরীর সংখ্যা হয় ১০+৬ = ১৬, কেবল ৬ নয়।
২. প্রগাথ সংখ্যা প্রসঙ্গে ষষ্ঠ শ্লোকে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে এগুলো "দ্বিরুচ"। অর্থাৎ ১৬৪ + ৫৫ + ১৭২৫০ প্রগাথ থেকে ৫০০ ঋচা গোনা উচিত। অথচ সামাশ্রমী শুধু ২৪৫ ঋচা ধরেছেন।

এভাবে তার ভুলের কারণে ছন্দঃসংখ্যা-পরিশিষ্টকারকে দোষী মনে করা হয়েছে, যা সঠিক নয়।


দ্বিপদা ঋচা ও ছন্দঃসংখ্যা

ছন্দঃসংখ্যা-পরিশিষ্টে উল্লিখিত ১০৪০২ ঋচায় ১৪০ নৈমিত্তিক দ্বিপদাকে চতুষ্পদা করে ৭০ ঋচা ধরা হয়েছে। অতএব এখানে যে ১৭ দ্বিপদার কথা বলা হয়েছে, সেগুলো নিত্য দ্বিপদা।

যদি ৭০ চতুষ্পদাকে ৭০×২=১৪০ দ্বিপদা ধরা হয়, তাহলে মোট ঋচাসংখ্যা দাঁড়াবে ১০৪৭২।

তাছাড়া এই গণনায় ৮০টি "বালখিল্য মন্ত্র"র কোনো উল্লেখ নেই। এটা স্পষ্ট যে এই পরিশিষ্ট শৈশিরী শাখার অন্তর্গত, যেখানে বালখিল্য ঋচা ধরা হয়নি।

প্রফেসর ম্যাকডোনাল্ড ঋগ্বেদে ১২৭ দ্বিপদা ঋচা ধরেছেন, তবে তার গণনায় কিছু ভুল ছিল, যা তিনি ছন্দঃসংখ্যা-পরিশিষ্টের দ্বিপদার সংখ্যা দেখে অনুমান করেছিলেন।


👉 পুরো লেখাটির সারমর্ম হলো:
ঋগ্বেদের ঋচাসংখ্যা নিয়ে মহীদাস, শৌনিক, ছন্দঃসংখ্যা-পরিশিষ্ট, এবং আধুনিক পণ্ডিতদের মধ্যে মতভেদ আছে। তবে সঠিক বিশ্লেষণে ১০৪০২ ঋচাই প্রকৃত সংখ্যা ধরা হয়, যেখানে বিশেষ ধরনের দ্বিপদা ও বালখিল্য মন্ত্রগুলো গণনায় ভিন্নভাবে বিবেচিত হয়।

প্রফেসর ম্যাকডোনাল্ডের ধারণা সম্পূর্ণভাবে অযৌক্তিক। কারণ আমরা উপরে প্রমাণসহ দেখিয়েছি যে ঋগ্বেদে ১৪০ নৈমিত্তিক দ্বিপদা এবং ১৭ নিত্য দ্বিপদা আছে। ছন্দঃসংখ্যা-পরিশিষ্টে কেবল নিত্য দ্বিপদার উল্লেখ আছে, নৈমিত্তিক দ্বিপদার কোনো উল্লেখ নেই। অথচ ম্যাকডোনাল্ড নিজে ভুলভাবে গণনা করা ১২৭ দ্বিপদার সংখ্যায় ছন্দঃসংখ্যা-পরিশিষ্টে উল্লিখিত ১৭ দ্বিপদার মধ্যে ১ এবং ৭ সংখ্যার মিল দেখে বিস্ময়কর এক কল্পনা করেছেন।


ঋগ্বর্ণানুক্রম ও ঋচাসংখ্যা

গুরু আচার্য কাত্যায়ন ঋক্সর্বানুক্রমণীতে প্রতিসূক্ত যে ঋচাসংখ্যা উল্লেখ করেছেন, তার যোগ করলে বালখিল্য সূক্ত বাদ দিয়ে ১০৪৭২ ঋচা পাওয়া যায়। আবার ১১ বালখিল্য সূক্তের ৮০ মন্ত্র যুক্ত করলে ঋচাসংখ্যা দাঁড়ায় ১০৫৫২ এই সংখ্যায় নৈমিত্তিক দ্বিপদাগুলো অন্তর্ভুক্ত আছে।

ঋক্সর্বানুক্রমণীর টীকাকার জগন্নাথের মতে ঋগ্বেদে ১০৫৫২ ঋচাই আছেচরণব্যূহ এর টীকাকার মহীদাসও একই সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন— बालखिल्यसहित ...

অর্থাৎ— বালখিল্য-সহিত সর্বানুক্রমণী-নির্দিষ্ট মন্ত্রসংখ্যা হলো ১০৫৫২; বালখিল্য ছাড়া ১০৪৭২। এই সংখ্যায় নিত্য ও নৈমিত্তিক উভয় ধরনের দ্বিপদা ঋচাই অন্তর্ভুক্ত আছে।


বেঙ্কটবাধবের ঋচাসংখ্যা

বেদূটমাধব ঋগ্বেদের দুটি ভাষ্য লিখেছিলেন— একটি সংক্ষিপ্ত (লঘু), আরেকটি বিস্তৃত (বৃহৎ)। তার সময়কাল বিক্রম সম্বতের প্রায় ১১শ শতাব্দী বলে ধরা হয়।

তিনি তার লঘু ভাষ্য-এর ৫ম অষ্টকের ৫ম অধ্যায়ের উপোদ্ধাতে ঋগ্বেদের ঋচাসংখ্যার উল্লেখ এভাবে করেছেন— शर्ते्चतुभिः ...

অর্থাৎ— আমি ঋগ্বেদে ১০৪০২ ঋচা গুনেছি। এর মধ্যে দ্বিপদাগুলো অন্তর্ভুক্ত আছে। কিন্তু যখন দ্বিপদাগুলোকে পৃথক গোনা হয়, তখন ঋচাসংখ্যা দাঁড়ায় ১০৪৮০।


বেঙ্কটমাধবের ভুল

বেদূটমাধব ১৪০ নৈমিত্তিক দ্বিপদাকে ৭০ চতুষ্পদা ধরে ১০৪০২ ঋচাসংখ্যা লিখেছেন— সেটি সঠিক। কিন্তু দ্বিপদাগুলোকে আলাদা গুনে ১০৪৮০ ঋচাসংখ্যা লিখেছেন— এটি সঠিক নয়। কারণ দ্বিপদাগুলো আলাদা করে গোনা হলে ১৪০ নৈমিত্তিক দ্বিপদার অর্ধেক, অর্থাৎ ৭০ সংখ্যা বাড়ানো উচিত। ফলে সংখ্যা বাড়বে মাত্র ৭০, যা প্রথম গণনায় চতুষ্পদা করে ধরা হয়েছিল। অতএব বেদূটমাধবের ৭৮ সংখ্যা বাড়িয়ে ১০৪৮০ বলা আসলে একটি ভুল।


ভুলের কারণ

আমরা উপরে বলেছি যে ঋগ্বেদে ১৪০ নৈমিত্তিক ও ১৭ নিত্য দ্বিপদা আছে, অর্থাৎ মোট দ্বিপদা ১৫৭। গণনায় ভিন্নতা হলে কেবল নৈমিত্তিক দ্বিপদাজনিত সংখ্যা বাড়বে, নিত্য দ্বিপদার সংখ্যা দুই ক্ষেত্রেই সমান থাকবে।

সম্ভবত বেদূটমাধব ১০৪০২ ঋচাসংখ্যার মধ্যে ভুল করে সমস্ত (নিত্য+নৈমিত্তিক) ১৫৭ দ্বিপদার মধ্যে ১৫৬টি সমসংখ্যক ঋচাকে (১৫৬×২=৩১২) ৭৮ চতুষ্পদা ধরে নিয়েছিলেন। তাই তিনি যখন দ্বিপদাগুলোকে আলাদা গুনলেন, তখন ১৪০÷২=৭০-এর জায়গায় ৭৮ সংখ্যা দ্বিগুণ করে ফেললেন। এটাই বেদূটমাধবের বড় ভুল।


বেঙ্কটমাধবের ঋচাসমূহ

এরপর তিনি ২৩, ২৪, ২৫ নম্বর শ্লোকে বর্গ অনুযায়ী ঋচাসংখ্যার উল্লেখ করেছেন। সেই গণনা হলো—

মহীদাসের ঋক্-সংখ্যা

চরণব্যূহ-এর টীকাকার মহীদাস ঋগ্বেদের ঋক্-সংখ্যা নিয়ে কিছু বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। যদিও এই গ্রন্থটি অত্যন্ত অপূর্ণ ও বিকৃত অবস্থায় মুদ্রিত হয়েছে বলে অনেক জায়গায় তার প্রকৃত বক্তব্য স্পষ্টভাবে বোঝা যায় না, তবুও এর দ্বারা ঋগ্বেদের ঋক্-গণনার বিষয়ে অনেক প্রয়োজনীয় তথ্য জানা যায়।

মহীদাসের মতে, ঋগ্বেদে বালখিল্য-সহ মোট ১০,৫৫২ মন্ত্র রয়েছে, আর বালখিল্য বাদ দিলে থাকে ১০,৪৭২ মন্ত্র। এর মধ্যে নিত্য এবং নৈমিত্তিক—দুই ধরনের দ্বিপদা মন্ত্রই অন্তর্ভুক্ত। (পৃষ্ঠা ২৭)

এরপর (পৃষ্ঠা ২৪, ২৫-এ) মহীদাস ঋগ্বেদের বর্গ ও ঋকের সংখ্যা প্রদর্শনকারী কিছু শ্লোক উদ্ধৃত করেছেন, যা এই রকম—“একচে -!

এই শ্লোকগুলির অনুযায়ী বর্গ ও ঋকের সংখ্যা এইভাবে পাওয়া যায়—(উপরে গণনা দেখুন)।

এই বর্গসংখ্যা শাকলচরণের পাঁচটি শাখার সঙ্গে সম্পর্কিত। এতে সঞ্জ্ঞান সূক্তের ৪টি বর্গ অন্তর্ভুক্ত আছে। একইভাবে, ১০,৪১৬ মন্ত্রসংখ্যার মধ্যে সঞ্জ্ঞান সূক্তের ১৫টি ঋকও গণনা করা হয়েছে। এগুলো বাদ দিলে ১০,৪০৪ ঋক-সংখ্যা পাওয়া যায়, যা পূর্বোক্ত ছন্দঃসংখ্যা-পরিশিষ্টে উল্লিখিত সংখ্যার চেয়ে ২ বেশি। এই অতিরিক্ত অংশটুকু শাখাভেদের কারণে হয়েছে বলে মনে হয়।

Continue....>>>

No comments:

Post a Comment

ধন্যবাদ

বৈশিষ্ট্যযুক্ত পোস্ট

ভিরদান্না— সিন্ধু সভ্যতার অন্যতম প্রাচীন সাইট

🏺 ভিররানা (Bhirrana) খননে কি পাওয়া গেছে? ভিররানা (বা ভিরদান্না) প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানটি হরিয়ানার (ফতেহাবাদ জেলায়) ঘগ্গর (পৌরাণিক সরস্বতী) ন...

Post Top Ad

ধন্যবাদ