| ছবিঃ অনুপমা পরমেশ্বরন |
ঋষি- অথর্বা, ক্ষুদ্রঃ দেবতা- স্কন্ধঃ, আত্মা ছন্দ- উপরিষ্টাদ্বিরাড্বৃহতী সূক্তম্- সর্বাধারবর্ণন সূক্ত
যস্য॒ ভূমিঃ॑ প্র॒মান্তরিক্ষমু॒তোদরম্।
দিবং॒ যশ্চ॒ক্রে মূ॒র্ধানং॒ তস্মৈ॑ জ্যে॒ষ্ঠায়॒ ব্রহ্মণে॒ নমঃ॑ ॥ অথর্ব০ ১০।৭।৩২
পদার্থঃ (ভূমিঃ) ভূমি (যস্য) যে [পরমেশ্বরের] (প্রমা) পাদমূল [এর সমান] (উত) এবং (অন্তরিক্ষম্) অন্তরিক্ষ [পৃথিবী এবং সূর্যের মাঝের আকাশ] (উদরম্) উদর [সমান]। (দিবম্) সূর্যকে (যঃ) যিনি (মূর্ধানম্) মস্তক [সমান] (চক্রে) রচনা করেছেন, (তস্মৈ) সেই (জ্যেষ্ঠায়) জ্যেষ্ঠ [সর্ববৃহৎ বা সর্বশ্রেষ্ঠ] (ব্রহ্মণে) ব্রহ্ম [পরমাত্মাকে] (নমঃ) নমস্কার ॥
ভাবার্থঃ যেমন জীবাত্মা শরীরের সমস্ত অঙ্গ-সমূহে ব্যাপক, তেমনই পরমাত্মা জগতের সমস্ত লোক-সমূহে নিরন্তর ব্যাপক, উনার কাছে আমরা সদা মস্তক নত করি ॥৩২॥
ব্যাখ্যানঃ ( যস্য ভূমিঃ প্রমা ) যে পরমেশ্বরের হওয়া এবং জ্ঞানে ভূমি যে পৃথিবী প্রভৃতি পদার্থ, তা প্রমা অর্থাৎ যথার্থজ্ঞান লাভ হওয়ার দৃষ্টান্ত এবং যিনি নিজের সৃষ্টিতে পৃথিবীকে পদস্থানে রচনা করেছেন (অন্তরিক্ষমুতোদরম্ ) অন্তরিক্ষ যা পৃথিবী এবং সূর্যের মধ্যে আকাশ, তা যিনি উদরস্থানে করেছেন, ( দিবং যশ্চক্রে মূর্ধানম্ ) এবং যিনি নিজের সৃষ্টিতে দিব অর্থাৎ আলো প্রদানকারী পদার্থসমূহকে সবার উপরে মস্তকস্থানে করেছেন, অর্থাৎ যিনি পৃথিবী থেকে সূর্যলোক পর্যন্ত সমগ্র জগৎকে রচনা করে তাতে ব্যাপ্ত হয়ে, জগতের সমস্ত অঙ্গসমূহে পরিপূর্ণ হয়ে সকলকে ধারণ করে আছেন, ( তস্মৈ ) সেই পরব্রহ্মকে আমাদের অত্যন্ত নমস্কার হোক। এই মন্ত্র মহর্ষিদয়ানন্দকৃত ঋগ্বেদাদিভাষ্যভূমিকায় ব্যাখ্যাত হয়েছে ॥
No comments:
Post a Comment
ধন্যবাদ