ঋগ্বেদের মোট মন্ত্র সংখ্যা যোগ করে দেখানো হয়েছে—
| মণ্ডল সংখ্যা | মোট সূক্ত সংখ্যা | মোট মন্ত্র সংখ্যা |
|---|---|---|
| মণ্ডল ১ | ১৯১ | ২০০৬ |
| মণ্ডল ২ | ৪৩ | ৪২৯ |
| মণ্ডল ৩ | ৬২ | ৬১৭ |
| মণ্ডল ৪ | ৫৮ | ৫৮৯ |
| মণ্ডল ৫ | ৮৭ | ৭২৭ |
| মণ্ডল ৬ | ৭৫ | ৭৬৫ |
| মণ্ডল ৭ | ১০৪ | ৮৪১ |
| মণ্ডল ৮ | ১০৩ | ১৭১৬ |
| মণ্ডল ৯ | ১১৪ | ১১০৮ |
| মণ্ডল ১০ | ১৯১ | ১৭৫৪ |
| মোট | — | ১০,৫৫২ |
সর্বমোট মন্ত্র সংখ্যা = ১০,৫৫২টি
যজুর্বেদ সম্পর্কে
ঈশ্বর ঋগ্বেদে গুণ ও গুণীর বিজ্ঞানের প্রকাশের মাধ্যমে সকল পদার্থের ব্যাখ্যা করেছেন। এখন মানুষ যেন সেগুলি থেকে যথাযথ উপকার গ্রহণ করতে পারে, সে জন্য কোন কোন ক্রিয়া কীভাবে করতে হবে এ বিষয়ে উপদেশ দেওয়া হচ্ছে। সেই ক্রিয়ার যে যে অঙ্গ ও যে যে সাধন প্রয়োজন, তা যজুর্বেদে প্রকাশিত। কারণ যতক্ষণ না ক্রিয়ানিষ্ঠ দৃঢ় জ্ঞান হয়, ততক্ষণ শ্রেষ্ঠ সুখ কখনোই উৎপন্ন হয় না। বিজ্ঞান ক্রিয়ার কারণরূপে আলোকপ্রদ, অবিদ্যা-নিবৃত্তিকারী, অধর্মে অপ্রবৃত্তিকারী এবং ধর্ম ও পুরুষার্থের সংযোগকারী। যে কর্ম বিজ্ঞান-নিমিত্তক, তা সুখজনক হয়। অতএব মানুষের উচিত বিজ্ঞানকে অগ্রসর করে নিয়েই কর্মানুষ্ঠান নিত্য করা। কেননা জীব চেতন; অকর্ম অবস্থায় থাকা অসম্ভব। আত্মা-মন-প্রাণ-ইন্দ্রিয়ের আন্দোলন ছাড়া কেউ এক মুহূর্তও স্থির থাকতে পারে না। “যজুর্ভির্যজন্তি” এই প্রমাণবাক্যেও তাই বলা হয়েছে।
যে দ্বারা মানুষ ঈশ্বরকে, ধার্মিক ও বিদ্বানদের পূজা করে; সকল কর্মের সংগতি সাধন করে; শিল্পবিদ্যার সংযোগ ঘটায়; শুভ বিদ্যা ও গুণ প্রদান করে; যথাযোগ্যভাবে সর্বোপকারমূলক শুভ ব্যবহারে ও বিদ্বানদের মধ্যে দ্রব্যাদি ব্যয় করে তাই ‘যজুঃ’। অন্যান্য বিষয় ভূমিকার মধ্যে প্রকাশিত—সেখানে দ্রষ্টব্য। সেই ভূমিকা চার বেদের জন্য একটিই।
এই যজুর্বেদে চল্লিশটি অধ্যায় আছে। প্রতিটি অধ্যায়ে মন্ত্রের সংখ্যা নির্দিষ্ট। চল্লিশ অধ্যায়ের সব মন্ত্র মিলিয়ে মোট ১৯৭৫(!)—অর্থাৎ উনিশশো পঁচাত্তর।
শতপথ ব্রাহ্মণ প্রভৃতি এবং নিঘণ্টু-নিরুক্ত পর্যবেক্ষণ করে, ক্রিয়াপর যজুর্বেদের বিষয় ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
বিক্রম সংবৎ ১৯৩৪, পৌষ শুক্ল ত্রয়োদশী, বৃহস্পতিবার—এই দিনে আর্যসমাজের যজুর্বেদের ভাষ্য রচনার আরম্ভ করা হয়।
ঈশ্বর ঋগ্বেদে গুণ ও গুণীর বিজ্ঞানের মাধ্যমে সকল পদার্থকে প্রকাশ করেছেন। মানুষ যেন সেগুলি থেকে যথাযথ উপকার গ্রহণ করতে পারে—সে জন্য যেসব ক্রিয়া এবং তাদের অঙ্গ-সাধন প্রয়োজন, সেগুলি যজুর্বেদে প্রকাশিত। যতক্ষণ ক্রিয়া করার দৃঢ় জ্ঞান না হয়, ততক্ষণ সেই জ্ঞান থেকে শ্রেষ্ঠ সুখ লাভ হয় না। বিজ্ঞান ক্রিয়ার কারণ, আলোকপ্রদ, অবিদ্যা-নিবারক, অধর্মে অনুপ্রবেশ রোধকারী এবং ধর্ম ও পুরুষার্থের সংযোজক। কর্মকাণ্ড বিজ্ঞান-নিমিত্তক; বিজ্ঞানকাণ্ড ক্রিয়া দ্বারা ফলপ্রদ। জীব মন, প্রাণ, বায়ু, ইন্দ্রিয় ও শরীর না চালিয়ে এক মুহূর্তও থাকতে পারে না—কারণ জীব অল্পজ্ঞ, একদেশবর্ত্তী ও চেতন। তাই ঋগ্বেদের মন্ত্রে পদার্থের গুণ-গুণীর জ্ঞান এবং যজুর্বেদের মন্ত্রে সকল ক্রিয়া প্রসিদ্ধ করা হয়েছে। ‘ঋক্’ ও ‘যজুঃ’—এই শব্দগুলির অর্থও তাই: যাতে মানুষ ঈশ্বর থেকে পৃথিবী পর্যন্ত পদার্থজ্ঞান নিয়ে ধার্মিক বিদ্বানদের সঙ্গ করে; সকল শিল্পকর্মসহ বিদ্যার সিদ্ধি ঘটায়; শ্রেষ্ঠ বিদ্যা ও গুণ দান করে; যথাযোগ্য ব্যবহারে সর্বোপকারের অনুকূল দ্রব্যাদি ব্যয় করে—এই কারণেই এর নাম যজুর্বেদ। এ বিষয়ে আরও ব্যাখ্যা ভূমিকার মধ্যে আছে; সেখানে দেখা উচিত—কারণ উক্ত ভূমিকা চার বেদের জন্য একটিই।
এই যজুর্বেদে মোট ৪০টি অধ্যায়। প্রতিটি অধ্যায়ে মন্ত্রসংখ্যা পূর্বে সংস্কৃতে কোষ্ঠকে লিখে দেওয়া হয়েছে। চল্লিশ অধ্যায়ের সব মিলিয়ে ১৯৭৫(!) (উনিশশো পঁচাত্তর) মন্ত্র।
নিচে আপনার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী অধ্যায়–মন্ত্র সংখ্যা সুন্দরভাবে চার্ট আকারে উপস্থাপন করা হলো—
| অধ্যায় | মন্ত্র সংখ্যা | অধ্যায় | মন্ত্র সংখ্যা |
|---|---|---|---|
| ১ | ৩১ | ২১ | ৬১ |
| ২ | ৩৪ | ২২ | ৩৪ |
| ৩ | ৬৩ | ২৩ | ৬৫ |
| ৪ | ৩৭ | ২৪ | ৪০ |
| ৫ | ৪৩ | ২৫ | ৪৮ |
| ৬ | ৩৭ | ২৬ | ২৬ |
| ৭ | ৪৮ | ২৭ | ৪৫ |
| ৮ | ৬৩ | ২৮ | ৪৬ |
| ৯ | ৪০ | ২৯ | ৬০ |
| ১০ | ৩৪ | ৩০ | ২২ |
| ১১ | ৮৩ | ৩১ | ২২ |
| ১২ | ১১৭ | ৩২ | ১৬ |
| ১৩ | ৫৮ | ৩৩ | ৯৭ |
| ১৪ | ৩১ | ৩৪ | ৫৮ |
| ১৫ | ৬৫ | ৩৫ | ২২ |
| ১৬ | ৬৬ | ৩৬ | ২৪ |
| ১৭ | ৯৯ | ৩৭ | ২১ |
| ১৮ | ৭৭ | ৩৮ | ২৮ |
| ১৯ | ৯৫ | ৩৯ | ১৩ |
| ২০ | ৯০ | ৪০ | ১৭ |
এই চার্টে যজুর্বেদের ৪০টি অধ্যায়ের প্রতিটির মন্ত্রসংখ্যা পরিষ্কারভাবে দেখানো হয়েছে।
টীকা: স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতীজী কর্তৃক কৃত যজুর্বেদ ভাষ্যে মন্ত্রগণনা ১৯৭৬ পাওয়া যায়। অতএব যজুর্বেদের মন্ত্রসংখ্যা ১৯৭৬ ধরা উচিত। স্বামীজি ২৫তম অধ্যায়ে ৪৭-এর স্থলে ৪৮ মন্ত্র গণনা করেছেন।
চারটি বেদের মধ্যে ক্রমানুসারে অথর্ববেদ শেষ। এর অন্যান্য নাম হলো ছন্দবেদ (ছন্দাংশি), অথর্বাঙ্গিরস এবং ব্রহ্মবেদ। ‘থর্ব’ ধাতুর অর্থ চলা বা বিচলিত হওয়া। এর নিষেধার্থক রূপ ‘অথর্ব’—অর্থাৎ অচল বা স্থির থাকা। যে অবিচল, অপরিবর্তনীয় পরমাত্মার অবিনাশী জ্ঞান—তাই অথর্ববেদ।
‘ছন্দ’ শব্দ আনন্দের বাচক; যেহেতু এর অধ্যয়ন আনন্দদায়ক, তাই অথর্ববেদকে ছন্দবেদ বলা হয়। অঙ্গিরা ঋষির মাধ্যমে প্রাপ্ত হওয়ায় একে অথর্বাঙ্গিরস বেদ নামেও অভিহিত করা হয়। সর্বত্র ব্রহ্মতত্ত্বের আলোচনা থাকায় এটি ব্রহ্মবেদ নাম লাভ করেছে।
অথর্ববেদে মোট ২০টি কাণ্ড, ৭৩১টি সূক্ত এবং ৫,৯৭৭টি মন্ত্র রয়েছে।
নিচে অথর্ববেদের কাণ্ডভিত্তিক বিবরণ বাংলায় চার্ট আকারে দেওয়া হলো—
| কাণ্ড সংখ্যা | মোট সূক্ত সংখ্যা | মোট মন্ত্র সংখ্যা |
|---|---|---|
| কাণ্ড ১ | ৩৫ | ১৫৩ |
| কাণ্ড ২ | ৩৬ | ২০৭ |
| কাণ্ড ৩ | ৩১ | ২৩০ |
| কাণ্ড ৪ | ৪০ | ৩২৪ |
| কাণ্ড ৫ | ৩১ | ৩৭৬ |
| কাণ্ড ৬ | ১৪২ | ৪৫৪ |
| কাণ্ড ৭ | ১১৮ | ২৮৬ |
| কাণ্ড ৮ | ১০ | ২৯৩ |
| কাণ্ড ৯ | ১০ | ৩১৩ |
| কাণ্ড ১০ | ১০ | ৩৫০ |
| কাণ্ড ১১ | ১০ | ৩১৩ |
| কাণ্ড ১২ | ৫ | ৩০৪ |
| কাণ্ড ১৩ | ৪ | ১৮৮ |
| কাণ্ড ১৪ | ২ | ১৩৯ |
| কাণ্ড ১৫ | ১৮ | ২২০ |
| কাণ্ড ১৬ | ৯ | ১০৩ |
| কাণ্ড ১৭ | ১ | ৩০ |
| কাণ্ড ১৮ | ৪ | ২৮৩ |
| কাণ্ড ১৯ | ৭২ | ৪৫৩ |
| কাণ্ড ২০ | ১৪৩ | ৯৫৮ |
| মোট | — | ৫,৯৭৭ |
সর্বমোট মন্ত্র সংখ্যা = ৫,৯৭৭টি
অথর্ববেদের উপলব্ধ ভাষ্য (২৭)
অথর্ববেদ ভাষ্য (পণ্ডিত ক্ষেমকরণদাস ত্রিবেদী)
ভাষ্যকার/অনুবাদক: পণ্ডিত ক্ষেমকরণদাস ত্রিবেদী
ভাষা: হিন্দি
মন্ত্র সংখ্যা: ৫,৯৮১
অথর্ববেদ ট্রান্সলেশন (ড. তুলসী রাম)
ভাষ্যকার/অনুবাদক: ড. তুলসী রাম
ভাষা: ইংরেজি
মন্ত্র সংখ্যা: ৫,৯৭৭
বেদাজ ভারবেটম
ভাষ্যকার/অনুবাদক: বীরেন্দ্র আগরওয়াল
ভাষা: ইংরেজি
মন্ত্র সংখ্যা: ১
অথর্ববেদ ভাষ্যম্ (পণ্ডিত ক্ষেমকরণদাস ত্রিবেদী)
ভাষ্যকার/অনুবাদক: পণ্ডিত ক্ষেমকরণদাস ত্রিবেদী
ভাষা: সংস্কৃত
মন্ত্র সংখ্যা: ৫,৯৭৭
প্রবচনের গর্ভে বেদ মন্ত্র (কৃষ্ণদত্ত জি মহারাজ)
ভাষ্যকার/অনুবাদক: কৃষ্ণদত্ত জি মহারাজ
ভাষা: হিন্দি
মন্ত্র সংখ্যা: ৪৬
অথর্ববেদ (দীনবন্ধু বেদশাস্ত্রী)
ভাষ্যকার/অনুবাদক: দীনবন্ধু বেদশাস্ত্রী
ভাষা: বাংলা
মন্ত্র সংখ্যা: ২০০
অথর্ববেদ ভাষ্যম্ (হরিশরণ সিদ্ধান্তালংকার)
ভাষ্যকার/অনুবাদক: পণ্ডিত হরিশরণ সিদ্ধান্তালংকার
ভাষা: হিন্দি
মন্ত্র সংখ্যা: ৫,৯৭২
অথর্ববেদ (স্বামী সত্যপ্রকাশ সরস্বতী)
ভাষ্যকার/অনুবাদক: স্বামী সত্যপ্রকাশ সরস্বতী
ভাষা: ইংরেজি
মন্ত্র সংখ্যা: ৫,৯৭৭
ঋগ্বেদাদিভাষ্যভূমিকা (হিন্দি)
ভাষ্যকার/অনুবাদক: স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতী
ভাষা: হিন্দি
মন্ত্র সংখ্যা: ৫
ঋগ্বেদাদিভাষ্যভূমিকা (সংস্কৃত)
ভাষ্যকার/অনুবাদক: স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতী
ভাষা: সংস্কৃত
মন্ত্র সংখ্যা: ৫
চতুর্বেদ শতকম্ – অচ্যুতানন্দ সরস্বতী (অথর্ববেদ)
ভাষ্যকার/অনুবাদক: অচ্যুতানন্দ সরস্বতী
ভাষা: হিন্দি
মন্ত্র সংখ্যা: ১০৭
চতুর্বেদ শতকম্ – বাংলাদেশ অগ্নিবীর (অচ্যুতানন্দ সরস্বতীর গ্রন্থ থেকে অনূদিত)
ভাষ্যকার/অনুবাদক: বাংলাদেশ অগ্নিবীর
ভাষা: বাংলা
মন্ত্র সংখ্যা: ১০০
অথর্ববেদ ভাষ্য (বৈদ্যনাথ শাস্ত্রী)
ভাষ্যকার/অনুবাদক: বৈদ্যনাথ শাস্ত্রী
ভাষা: ইংরেজি
মন্ত্র সংখ্যা: ৫,৯৭৭
অথর্ববেদ ভাষ্য (বিশ্বনাথ বিদ্যালংকার)
ভাষ্যকার/অনুবাদক: বিশ্বনাথ বিদ্যালংকার
ভাষা: হিন্দি
মন্ত্র সংখ্যা: ৫,৯৯৫
অথর্ববেদ ট্রান্সলেশন (পং. দেবীচন্দ এম. এ.)
ভাষ্যকার/অনুবাদক: পং. দেবীচন্দ এম. এ.
ভাষা: ইংরেজি
মন্ত্র সংখ্যা: ৫,৯৭৭
অথর্ববেদম্ (அதர்வ வேதம்) [পণ্ডিত মনক্কল রামস্বামী জাম্বুনাথন]
ভাষ্যকার/অনুবাদক: পণ্ডিত মনক্কল রামস্বামী জাম্বুনাথন
ভাষা: তামিল
মন্ত্র সংখ্যা: ১
বেদ সৌরভ – স্বামী জগদীশ্বরানন্দ – হিন্দি
ভাষ্যকার/অনুবাদক: স্বামী জগদীশ্বরানন্দ সরস্বতী
ভাষা: হিন্দি
মন্ত্র সংখ্যা: ৪৪
বৈদিক ভজন (শ্রী ললিত মোহন সাহনি)
ভাষ্যকার/অনুবাদক: শ্রী ললিত মোহন সাহনি
ভাষা: হিন্দি
মন্ত্র সংখ্যা: ৮
বেদ ইনস্পিরেশনস (শ্রী সুবোধ কুমার)
ভাষ্যকার/অনুবাদক: শ্রী সুবোধ কুমার
ভাষা: হিংলিশ
মন্ত্র সংখ্যা: ৮৬
অথর্ববেদ ভাষ্য (শুভঙ্কর মণ্ডল / ক্ষেমকরণ ত্রিবেদী)
ভাষ্যকার/অনুবাদক: শ্রী শুভঙ্কর মণ্ডল
ভাষা: বাংলা
মন্ত্র সংখ্যা: ৫,৯৭৭
অথর্ববেদ ভাষ্য (শুভঙ্কর মণ্ডল / বিশ্বনাথ বিদ্যালংকার)
ভাষ্যকার/অনুবাদক: শ্রী শুভঙ্কর মণ্ডল
ভাষা: বাংলা
মন্ত্র সংখ্যা: ৫,৭৫৭
ঋগ্বেদ সংহিতা ভাষা ভাষ্য (পং. জয়দেব শর্মা)
ভাষ্যকার/অনুবাদক: পণ্ডিত জয়দেব শর্মা বিদ্যালংকার মীমাংসাতীর্থ
ভাষা: হিন্দি
মন্ত্র সংখ্যা: ১,৪০৮
অথর্ববেদ সংহিতা ভাষা ভাষ্য (পং. জয়দেব শর্মা)
ভাষ্যকার/অনুবাদক: পণ্ডিত জয়দেব শর্মা বিদ্যালংকার মীমাংসাতীর্থ
ভাষা: হিন্দি
মন্ত্র সংখ্যা: ৪,৫৪৮
বেদাধ্যয়ন প্রবেশিকা – স্বামী ব্রহ্মমুনি পরিব্রাজক
ভাষ্যকার/অনুবাদক: স্বামী ব্রহ্মমুনি পরিব্রাজক
ভাষা: হিন্দি
মন্ত্র সংখ্যা: ২২৯
ঋগ্বেদাদিভাষ্যভূমিকা মারাঠি (মাতা সবিতা জোশী)
ভাষ্যকার/অনুবাদক: মাতা সবিতা জোশী
ভাষা: মারাঠি
মন্ত্র সংখ্যা: ৫
বৈদিক বিনয় – আচার্য অভয়দেব বিদ্যালংকার [বৈদিক বিনয়]
ভাষ্যকার/অনুবাদক: বাংলাদেশ অগ্নিবীর
ভাষা: বাংলা
মন্ত্র সংখ্যা: ৫
অথর্ববেদ ভাষ্য (বৈদ্য দয়ালমুনি আর্য)
ভাষ্যকার/অনুবাদক: বৈদ্য দয়ালমুনি আর্য
ভাষা: গুজরাটি
মন্ত্র সংখ্যা: ৫,৯৭৬
No comments:
Post a Comment
ধন্যবাদ